টিকটকার সেলিব্রেটি গণমাধ্যমে এসে স্বামীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করলেন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত দম্পতি প্রিন্স মামুন ও তাঁর স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনার দাম্পত্যজীবন নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সময় তাদের সম্পর্ক, বিয়ে, পারিবারিক বিরোধ ও মামলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে মোহনার পক্ষ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
মোহনার অভিযোগ, বিয়ের পর তিনি স্বামীর কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর কাছে যৌতুক হিসেবে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি আইনি পদক্ষেপ নেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু পোস্ট ও ভিডিওতে বিষয়টিকে আরও চাঞ্চল্যকরভাবে উপস্থাপন করে দাবি করা হচ্ছে, প্রিন্স মামুন তাঁর স্ত্রীকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ছেলের সঙ্গে ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো ধরনের যোগাযোগ করাতেন। এই নির্দিষ্ট দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এটিকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।
গণমাধ্যমে এসে যা বলেছিলেন মোহনা
মোহনা বিভিন্ন সময় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের দাম্পত্যজীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সম্পর্কের শুরুতে পরিস্থিতি একরকম থাকলেও পরে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
মামলায় মোহনা অভিযোগ করেন, প্রিন্স মামুন তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন করেছেন এবং এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেছেন। মামলার অভিযোগে আরও বিভিন্ন ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মামলায় থাকা অভিযোগগুলো এখনো আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত নয়।
এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পক্ষের বক্তব্যকে আদালতের রায় বা চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।
ব্যবসা ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা আলোচনা
প্রিন্স মামুন দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর স্ত্রী মোহনাও অনলাইনে সক্রিয়। তাদের ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিতই অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা হয়।
সম্প্রতি তাদের পারিবারিক বিরোধ প্রকাশ্যে আসার পর পুরোনো ভিডিও, সাক্ষাৎকার ও বিভিন্ন বক্তব্যও নতুন করে ভাইরাল হচ্ছে। এসব পুরোনো কনটেন্টের সঙ্গে নতুন ঘটনার তথ্য মিশিয়ে অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর শিরোনাম তৈরি করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ‘স্বামী স্ত্রীকে দিয়ে বিভিন্ন ছেলের সঙ্গে ব্যবসা করাতেন’—এ ধরনের বক্তব্য কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রতিবেদন বা আদালতের নথিতে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত না হলে স