এক বক্তব্যে এক মাদ্রাসাশিক্ষিকাকে বলতে শোনা যায়, আমাদের সমাজ এমন হয়ে গেছে যে শিক্ষক শা” সন করলেও দো/ ষ, আবার আদর করলেও দো/ ষ। তাঁর মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুরা হলো ফুল আর শিক্ষকেরা হলেন মালি।
ওই শিক্ষিকা আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নাকি এক শিক্ষার্থীকে বলেছিলেন, “তোমার রেজাল্টটা ভালো হয়েছে, তোমাকে একটা চু** মু দেওয়া উচিত।” তবে তাঁর দাবি, শিক্ষকটি শেষ পর্যন্ত দেননি। শিক্ষিকার বক্তব্য, শিক্ষককে তিনি বাবার মতো মনে করেন এবং আ’দর করার বিষয়টিকে সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখেন।
তবে শি’ শুদের প্রতি শিক্ষকদের স্নেহ প্রকাশের ক্ষেত্রেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা রয়েছে। শিশুর নিরা” পত্তা, ব্যক্তি”গত স্বাচ্ছন্দ্য এবং অভিভাবকদের আস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।