এদেশে মানুষের জীবনের কোন মূল্যই নেই 😭
ইন্না-লিল্লাহ…ভাইরে ভাই, দুনিয়াটা আসলে কোন দিকে যাচ্ছে? মানে একবার ভাবুন তো, বাবার বাড়ি থেকে পাঠানো নাস্তা একটু কম হইছে বলে একটা ২২ বছরের মেয়ে আর তার পেটের ৩ মাসের বাচ্চাকে মে** ফেলা হলো? 😢
ঘটনাটা চট্টগ্রামের পটিয়ার। মাত্র ৫ মাস আগে সিফাতুন নুরের বিয়ে হয়েছিলো এক দুবাই প্রবাসীর সাথে। স্বামী বিদেশে, মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে থাকতো।
গত ১৪ অক্টোবর সিফাতুনের মা নিজের হাতে বানানো কিছু নাস্তা নিয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যান। ব্যস, নাস্তার পরিমাণ কেন কম হলো, এই নিয়ে শাশুড়ি আর ননদরা মিলে ক্যাচাল শুরু করে। একপর্যায়ে নাকি অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুনকে মা* ধর করে শশুর বাড়ির লোকেরা….🙂
টানা ৯ দিন চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থেকে গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মেয়েটা মা*** যায়।
এখন আবার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নাটক দেখেন! তারা দাবি করছে মেয়ে নাকি নিজে নিজের ক্ষতি করতে গেছে। মানে কী বলবো আর! নিজেদের দোষ ঢাকতে এখন মৃ** মেয়েটার ওপরই দায় চাপাচ্ছে।
আমাদের সমাজের এই লোভী আর নোংরা মানসিকতার শ্বশুরবাড়ির লোকগুলো কবে মানুষ হবে? সামান্য নাস্তা, যৌতুক আর লোভের জন্য আর কত মেয়ের জীবন এভাবে শেষ হবে? একটা মেয়ের জীবন কি এতটাই সস্তা? সিফাতুনের সাথে তো শুধু একটা প্রাণ যায়নি, এ#কটা অনাগত বাচ্চার পৃথিবীর আলো দেখার স্বপ্নও শেষ হয়ে গেল।
পটিয়া থানা পুলিশ অলরেডি তদন্ত শুরু করেছে। আমরা শুধু এটুকুই চাই, কোনো লবিং বা টাকা-পয়সার জোরে যেন এই খু**রা পার পেয়ে না যায়। এদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কোনো শ্বশুরবাড়ি কোনো মেয়ের ওপর হাত তোলার সাহস না পায়।
আল্লাহ্ সিফাতুন নুরকে জান্নাতবাসী করুন আর তার পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন। সবার মাঝে একটু বিবেক আর সচেতনতা আসুক ভাই, এই বর্বরতা আর নেওয়া যাচ্ছে না! 😓