দুই মিনিটও দেখতে দেয়নি স্বা’মীকে, বু %কফা %টা আ/হাজা/রি নি %হ%ত সে’নাসদস্য তাসনিম রিফাতের স্ত্রী’র…see more

দুই মিনিটও দেখতে দেয়নি স্বামীকে,
বু %কফা %টা আ/হাজা/রি নি %হ%ত সেনাসদস্য তাসনিম রিফাতের স্ত্রীর💔
স্বামীকে শেষবারের মতো দেখার আশায় অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী। কিন্তু প্রিয় মানুষটিকে কাছে পেয়েও যেন সময় পেলেন না…মাত্র দুই মিনিটও স্বামীকে দেখতে দেওয়া হয়নি তাকে। স্বামীর নি/থ/র ম %রদে/হের সামনে দাঁড়িয়ে বুকফা %টা আ%হাজা%রিতে বারবার ভে %ঙে পড়েন তিনি। স্বামীকে হা%রা%নোর এই শো/ক যেন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না রিফাতের স্ত্রী।
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনকালে ট্যাংকের ভেতরে গোলা
বি স্ফো রণে নি হত সেনাসদস্য (গানার) তাসনিম রিফাতের ম%রদেহ পৌঁছেছে তার রাজশাহীর গ্রামের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার পরিবারের কাছে ম %রদে%হ হস্তান্তরের পর সামাজিক ও সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক ক.’বরস্থানে তাকে দা.’ফন করা হয়।
সকালে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে রিফাতের ম %রদে/হ প্রথমে রাজশাহী সেনানিবাসে আনা হয়। পরে সড়কপথে তার জন্মস্থান পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে পৌঁছায় ম/রদে/হ।
সবচেয়ে অ/স/হায় হয়ে পড়েছে রিফাতের আড়াই বছরের ছোট্ট কন্যাসন্তানটি। যে বয়সে বাবার হাত ধরে বেড়ে ওঠার কথা, সেই বয়সেই বাবাকে হারিয়ে ফেলল শিশুটি। বাবার আদর, বাবার কোলে ওঠা…সবকিছুই এখন তার কাছে হয়ে গেল শুধুই স্মৃতি। স্ত্রী ও ছোট্ট মেয়েকে রেখে চিরদিনের জন্য বি/দায় নিলেন ২৮ বছর বয়সী এই সেনাসদস্য।
মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীর মধ্যে নেমে আসে গভীর শো %কের ছায়া। সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এবং স্বজন ও হাজারো গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে বাদ জোহর জানাজা শেষে সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কব.’রস্থানে মায়ের কবরের পাশে দা.’ফন করা হয় তাসনিম রিফাতকে।
মাত্র তিন বছর আগে ক্যা.’নসারে আ/ক্রা/ন্ত হয়ে মাকে হারি/য়েছিলেন রিফাত। এবার সেই মায়ের কব/রের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনিই। একদিকে স্ত্রী হারালেন জীবনসঙ্গীকে, আড়াই বছরের শি.’শু হারাল বাবাকে, আর বাবা আসাদুল ইসলাম হারালেন তার কর্মক্ষম একমাত্র অবলম্বনকে।
আইএসপিআরের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় বুধবার দুপুরে জানানো হয়, ট্যাংক থেকে
গো লাব র্ষণের সময় আকস্মিক এই
দু %র্ঘ %টনা ঘটে। এতে এক কর্মকর্তা আ/হত হয়েছেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারযোগে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। দু %র্ঘট%নার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Author: Desh Katha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *