গার্মেন্টসের চাকরি সত্যি অনেক কষ্টের, প্রবাসে থেকে যেরকম প্রবাসীরা কষ্ট করে, সেরকম কষ্ট এই গার্মেন্টসের মানুষগুলো করে, আধা ঘন্টার জন্য ছুটি চাইলেও সুপারভাইজারের পায়ে ধরে কান্নাকাটি করতে হয়। একদিন অফিসে আসতে ৫ মিনিট দেরি হলেই সারাদিনের বেতন কেটে নেওয়া হয়। এমনকি একদিন দুই পিস মাল প্রোডাকশন কম হলেই রুমে ডেকে নিয়ে বাজে ভাষায় কথা বলা হয়।
মনের কষ্টগুলো এভাবেই প্রকাশ করছিলেন সর্বনিম্ন ৩০০০০ টাকা বেতন করার দাবিতে আন্দোলন করা গার্মেন্টস শ্রমিকরা।
এই বেতনে নাকি তাদের চলতে কষ্ট হয়, ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ অন্ধকার, এইজন্য সর্বনিম্ন 30000 টাকা বেতন করার দাবিতে রাস্তায় আন্দোলনে নেমেছেন তারা।
বেতন দিবে কি দিবে না সেটা সরকারের ব্যাপার, তবে গার্মেন্টসের এই কষ্টের কাহিনী গুলো শুনলে খুবই খারাপ লাগে।
যে পোশাক শ্রমিকদের উপার্জনের টাকায় আমাদের দেশের অর্থনীতির সিংহভাগ চলে সেই পোশাক শ্রমিকদের উপর এমন অমানবিক নির্যাতন কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। ( যদি তাদের কথা সত্য হয়ে থাকে)
এমনকি নিকটাত্মীয় কেউ মা-রা গেলেও নাকি ছুটি দিতে চায়না।
দেশের চলমান এই পরিস্থিতিতে আপনার মতে তাদেরকে সর্বনিম্ন ৩০০০