ঢাকার পিজি হাসপাতালে যে এমন একটা ম’র্মান্তিক কা’ণ্ড ঘটে যাবে, কেউ ভাবতেও পারেনি… More

ঢাকার পিজি হাসপাতালে যে এমন একটা মর্মান্তিক কাণ্ড ঘটে যাবে, কেউ ভাবতেও পারেনি!
__গাজীপুরের বোর্ডবাজারের কলমেশ্বর এলাকার একটা মেয়ে, নাম সামিয়া নূর। কামারজুরী ইউসুফ আলী হাই স্কুলের ৭ম শ্রেণিতে পড়ত। ওর মা পারুল আক্তার জ”রা’য়ুর টি”উ”মার নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, কয়েকদিন
পরেই ওনার অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। মাকে দেখতেই সামিয়া হাসপাতালে গিয়েছিল।
__কিন্তু বিধির কী নি”ষ্ঠুর খেলা! শনিবার দুপুরে হাসপাতালের আটতলার ওয়ার্ডে মায়ের সাথে কথা বলার একপর্যায়ে জানালার ফাঁকা জায়গা দিয়ে ও হঠাৎ অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যায়।
গুরুতর আ”হ’ত অবস্থায় ওকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলের ইমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হলেও আর বাঁচানো যায়নি। বিকেলেই ডাক্তাররা ওকে মৃ* ত ঘোষণা করেন।
সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগছে ওর বাবা নুরুন্নবী মিয়ার আর্তনাদ শুনে! উনি স্থানীয় বাজারে ছোট একটা কনফেকশনারির দোকান চালান। সন্তানের মৃ**র পর ওনার কান্না আর থামছেই না। উনি জানান, সামিয়া ওনাদের রক্তের সন্তান ছিল না। নিঃসন্তান এই দম্পতি মাত্র ২-৩ বছর বয়সে সামিয়াকে দত্তক নিয়েছিলেন।
সামিয়া কোনোদিন জানতোই না যে এরা ওর নিজের জন্ম দেওয়া বাবা-মা নয়। এত বছর ধরে নিজের কলিজার টুকরা করে বুক দিয়ে আগলে রেখে মানুষ করেছেন ওনারা। অথচ একটা মুহূর্তের অসাবধানতায় বাবার সব স্বপ্ন, সব ভালোবাসা এক নিমেষেই শেষ হয়ে গেল!
আল্লাহ এই অসহায় মা-বাবাকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন

Author: Desh Katha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *