এই ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে স্যালুট দিতে আপনি বাধ্য হবেন৷ উনি যা করেছেন, ভাইইই! এমন বুদ্ধি থাকলে অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশ থেকে পালাবে 🫡❤️
ফরিদপুরের কয়েকটি কারখানায় ভেজাল দুধ তৈরির খবর পাওয়া যায়। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব অভিযান চালাতে গেলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। কারণ কী জানেন? তারা এই ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে চেনে! ফেসবুকে তাঁর চেহারা দেখেছে, তাই তিনি আসছেন শুনলেই সতর্ক হয়ে যায়।
কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট স্যারও নাছোড়বান্দা! তিনি ঠিক করলেন, এবার অন্য কৌশলে ধরতে হবে এই অসাধু ব্যবসায়ীদের।
যেমন ভাবনা, তেমন কাজ! 😂
মাথায় মেয়েদের মতো পরচুলা, তার ওপর ক্যাপ, চোখে সানগ্লাস আর মুখে মাস্ক পরে ছদ্মবেশ ধারণ করলেন তিনি। এরপর গায়ে অ্যাপ্রোন চাপিয়ে হাতে নিলেন একটি ফার্স্ট এইড বক্স।
কারখানার কর্মচারীদের বললেন, তিনি ফ্রি চিকিৎসাসেবা দিতে এসেছেন! এমনকি কয়েকজনের কেটে যাওয়া স্থানে ড্রেসিংও করে দিলেন।
এভাবে চিকিৎসক সেজে ধীরে ধীরে ঢুকে পড়লেন কারখানার ভেতরে। আর সেখানে গিয়ে যা দেখলেন, তা রীতিমতো ভয়ংকর!
দুধ তৈরির নামে সেখানে মজুত করে রাখা হয়েছে ভেজাল তৈরির জেলি ও ড্রামভর্তি হাইড্রোজ!
ব্যস! এবার আর রক্ষা নেই! ধরা পড়ে গেল অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি।
অভিযানে কারখানাটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সিলগালা করে দেওয়া হয়।
সত্যি বলতে, অসাধু ব্যবসায়ীরা যখন নিজেদের লাভের জন্য মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলছে, তখন এমন সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
আমাদের দেশের প্রতিটি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যদি নিজের দায়িত্বটুকু সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন, তাহলে দেশটা বদলাতে বাধ্য!
ম্যাজিস্ট্রেট স্যার, আপনার এই সাহস, বুদ্ধি আর দায়িত্ববোধের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও স্যালুট! দেশের প্রতিটি সেক্টরে এমন দায়িত্বশীল মানুষ ছড়িয়ে পড়ুক। ♥
কিন্তু আমার ভয় অন্যখানে৷ দেখা গেলো কদিন পর উনাকে অন্য জেলায় বদলি করে দিলো 🙂