এই গুলুমুলু বাচ্চাটার নাম আয়াত! অথচ একজন শিক্ষকের কারণে তার ছোট্ট জীবনটাই এখন ভয় আর ট্রমায় ভরে গেছে! 😢
আয়াত ঢাকার নারিন্দার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে পড়াশোনায়ও বেশ ভালো। অথচ তারই ক্লাস টিচার সুপ্তির আচরণে এই ছোট্ট শিশুটি এখন স্কুলে যেতেই ভয় পাচ্ছে!
ঘটনাটা শুনলে আপনারও খারাপ লাগবে!
ক্লাসের পড়া খাতায় লিখতে যাওয়ার সময় কোনো কারণ ছাড়াই আয়াতের খাতা ছিঁড়ে ফেলেন ওই শিক্ষিকা। আয়াতের চিন্তা ছিল, বাসায় মাকে ক্লাসের পড়া দেখাতে হবে। তাই সে অন্য একটি কাগজে আবারও লিখতে শুরু করে। কিন্তু এবারও তার খাতা ছিঁড়ে ফেলা হয়!
এরপর ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে আয়াতকে একা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ওই অবস্থায় তার পায়ের ওপর পা দিয়ে জোরে চাপ দেন শিক্ষিকা। ব্যথায় কান্না করতে করতে একপর্যায়ে ভয়ে ক্লাসেই প্রস্রাব করে ফেলে ছোট্ট আয়াত!
কোনো রকমে সেখান থেকে বের হয়ে আয়াত স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপালকে বিষয়টি জানায়। কিন্তু অভিযোগ, তিনি বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি!
আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, এর আগেও ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আয়াতের চোখের নিচে পেন্সিল দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে!
এখন এই ঘটনার পর আয়াতের মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছে জানেন?
সে মাঝরাতে হঠাৎ চিৎকার করে জেগে ওঠে। ঘুমের মধ্যেও ভয় পায়। নিজের মাকে বলে, “মা, স্কুলে গেলে ওরা আমাকে মে%রে ফেলবে!” 💔
একবার ভাবুন তো, মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া একটা শিশুর মনে কতটা ভয় ঢুকলে সে নিজের স্কুলকেই মৃ%ত্যুভ&য়ে&র জায়গা মনে করতে শুরু করে!
শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেন। তাঁদের কাছেই শিশুরা নিরাপদ বোধ করবে, ভালোবাসা পাবে, ভুল করলে শিখবে। অথচ সেই শিক্ষকই যদি শিশুর মনে আতঙ্ক তৈরি করেন, তাহলে সেই শিশুটি নিরাপত্তা খুঁজবে কোথায়?
এই গুলুমুলু বাচ্চাটার নাম আয়াত! অথচ একজন শিক্ষকের কারণে তার ছোট্ট জীবনটাই এখন ভয় আর ট্রমায় ভরে গেছে! 😢