সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। মোট ২৫৩ জন ভোটারের মধ্যে ২২৫ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে দুপুর ১টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৮৯ শতাংশ।
ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ডা. শাহাদাত মাহমুদ তপু ১৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ‘আবরার-মুশফিক-ফিরোজ’ প্যানেলের ডা. আবরার গালিব পেয়েছেন ৮৭ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ডা. মুশফিক ১৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ পদে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ডা. আতাউর রহমান পেয়েছেন ৮৭ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ডা. জামিল আক্তার ১১৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা.ফিরোজ পেয়েছেন ১০৬ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ডা. রাকিবুল ইসলাম ১২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. আহনাফ পেয়েছেন ১০০ ভোট।
এদিকে নারী বিষয়ক সমন্বয়ক পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. রিশা ১২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ডা. রিশাকে সমর্থন জানিয়ে এই পদে কোনো প্রার্থী দেয়নি শিবির। এই পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী ডা. বৃষ্টি এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ঐশি দুজনেই ৪৯টি করে ভোট পেয়েছেন।